মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

১৬ ডিসেম্বরের আগে সচল হওয়া মোবাইল ফোন কোনোভাবেই বন্ধ হবে না: মন্ত্রণালয়

১৬ ডিসেম্বরের আগে সচল হওয়া মোবাইল ফোন কোনোভাবেই বন্ধ হবে না: মন্ত্রণালয়

১৬ ডিসেম্বরের আগে সচল হওয়া মোবাইল ফোন কোনোভাবেই বন্ধ হবে না। এ সংক্রান্ত গুজব থেকে সচেতন থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

গত ১ ডিসেম্বর বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানির শুল্কহার কমানোর বিষয়ে এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


পরে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাজারে অবৈধভাবে আমদানি করা স্টক ফোনগুলোর মধ্যে যেগুলোর বৈধ IMEI নম্বর আছে, সেই IMEI লিস্ট বিটিআরসিতে জমা দিয়ে হ্রাসকৃত শুল্কে সেগুলোকে বৈধ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ নিয়ে এনবিআর-এর সাথে আলোচনা চলছে। তবে ক্লোন ফোন এবং রিফারবিশড ফোনের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেয়া হবে না।
বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৬ ডিসেম্বর-এর আগে সচলকৃত মোবাইল ফোন কোনোভাবেই বন্ধ হবে না। এ সংক্রান্ত গুজব থেকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর থেকে চালু হচ্ছে NEIR, সুতরাং বৈধ IMEI নম্বরহীন হ্যান্ডসেট ক্রয় থেকে বিরত থাকুন। অবৈধ আমদানিকৃত, চোরাচালানকৃত, এবং ক্লোন ফোন বাংলাদেশে বন্ধ করা হবে। দেশে বিদেশের পুরোনো ফোনের ডাম্পিং বন্ধ হবে। কেসিং পরিবর্তন করে এসব ইলেকট্রনিক বর্জ্য দেশে ঢুকিয়ে যে রমরমা চোরাকারবারি ব্যাবসা শুরু করা হয়েছে, সেটা বন্ধ করা হবে।
 
বর্তমানে ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বৈধ কি না যাচাই করবেন যেভাবে
এসএমএসের মাধ্যমে যাচাই পদ্ধতি
 

ধাপ-১: প্রথমে মোবাইলের কিপ্যাডে *#06# ডায়াল করুন। স্ক্রিনে দেখা যাবে ফোনের আইএমইআই নম্বর।
 
ধাপ-২: মোবাইল ফোন থেকে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করুন।
 
ধাপ-৩: অটোমেটিক বক্স এলে হ্যান্ডসেট-এর ১৫ ডিজিটের আইএমইআই (IMEI) নম্বরটি লিখে প্রেরণ করুন।
 
ধাপ-৪: ফিরতি মেসেজের মাধ্যমে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের/হ্যান্ডসেটের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে।
 
অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে যাচাই পদ্ধতি
 

বিটিআরসির ওয়েবসাইটে ‘Verify IMEI’ অপশনে গিয়ে আইএমইআই (IMEI) নম্বরটি লিখুন। সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল দেখা যাবে–আপনার ফোনটি ‘Valid’, ‘Invalid’ নাকি ‘Clone’।
নাটোর সরকারি বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলো ছাত্রী

নাটোর সরকারি বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলো ছাত্রী

অনলাইনের লটারিতে নাটোর সরকারি বালক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে মোছা. সুমাইয়া খাতুন নামে এক শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তৃতীয় শ্রেণীর ভর্তির অনলাইনে লটারির ফলাফল বালক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে টানানো হয়। দিবা শাখায় ৪৪ নম্বর তালিকায় মোছা. সুমাইয়া খাতুনের নাম দেখে অনেকে অবাক হন। সুমাইয়া নাটোর শহরের কানাইালী এলাকার মোহাম্মদ আলীর মেয়ে।


এবিষয়ে মোহাম্মদ আলী জানান, কিছুদিন আগে নাটোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শহরের কানাইখালী এলাকার হকার্স মার্কেটের একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে অনলাইনে আবেদন করেন। বিকেলে বালিকা বিদ্যালয়ে গিয়ে তালিকায় তার মেয়ের নাম না দেখে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে তার এক বন্ধুর কাছে বিষয়টি শুনেছেন। কম্পিউটারের দোকানদার আবেদনের সময় ভুলের কারণে তার মেয়ে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হলো বলে জানান তিনি।
নাটোর সরকারি বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি নাটোররের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন জানান, বিষয়টি তিনি জানতেন না। খোঁজ নিচ্ছেন। 
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নির্দেশনা

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নির্দেশনা


‘জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের জন্য কেন্দ্রসচিবদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি, প্রশ্নপত্রের ব্যবহার, আসনব্যবস্থা, ক্যালকুলেটর ব্যবহারসহ একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে মোট ২৪টি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়। আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ চিঠি ‘জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’–এর সব কেন্দ্রের কেন্দ্রসচিবদের পাঠানো হয়েছে।
 
আরও পড়ুন: জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা পেছালো, নতুন রুটিন প্রকাশ
 
নির্দেশনায় বলা হয়েছে—
১.
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর সব পরীক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণির পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ১০০ ও পূর্ণ সময় ৩ ঘণ্টা এবং বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৫০+৫০ নম্বরে, ১.৩০ মিনিট + ১.৩০ মিনিট সময়ে অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে।
২.
পরীক্ষা শুরুর সাত দিন আগে ট্রেজারিতে বা থানা লকারের ট্রাংকে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের বিবরণী তালিকা ঠিকভাবে যাচাই করতে হবে। প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাইকালে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কেন্দ্রসচিব এবং পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন।
৩.
প্রশ্নপত্রের ২ সেট পরীক্ষার তারিখ অনুসারে সেটভিত্তিক আলাদা করে নিরাপত্তা খামে প্যাকেট করতে হবে।
৪.
কোনো কেন্দ্রে আসন অনুপাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে ওই কেন্দ্রের পার্শ্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সাবসেন্টার করে পরীক্ষা নেওয়া যাবে।
৫.
প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাইয়ের দিনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তারিখভিত্তিক প্রশ্নপ্রত্রের প্যাকেট সাজিয়ে নিরাপত্তা খামের গাম লাগিয়ে এবং কার্টন টেপে যথাযথভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে এবং নিরাপত্তা খামের ওপর পরীক্ষার তারিখ, বিষয় কোড ও সেট কোড অবশ্যই লিখতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা কেন্দ্রসচিবের দায়িত্বে অবহেলা বলে গণ্য হবে।
৬.
ট্রেজারি থেকে পরীক্ষার দিনগুলোয় ট্রেজারি কর্মকর্তার কাছ থেকে ওই দিনের প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা খাম ২ সেট গ্রহণ করতে হবে।
৭.
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে থানা/ট্রেজারি থেকে নিরাপত্তা প্রহরাসহ প্রশ্নপত্রের প্যাকেট (নিরাপত্তা খাম) কেন্দ্রে আনতে হবে।
৮.
প্রশ্নপত্র ব্যবহারের এসএমএস মোতাবেক সেট ব্যবহার করতে হবে এবং এসএমএস পাওয়ার পর প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে। অব্যবহৃত সেটের প্রশ্নপত্রের খাম অক্ষত অবস্থায় উপজেলা কমিটির কাছে জমা দিতে হবে। উপজেলা কমিটি জেলা কমিটির কাছে জমা দেবেন।
৯.
কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মুঠোফোন বা ইলেকট্রনিকস ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ছবি তোলা যায় না এমন মুঠোফোন কেন্দ্রসচিব ব্যবহার করতে পারবেন।
১০.
প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য ১ জন কক্ষ পরিদর্শক পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রতিটি কক্ষে কমপক্ষে ২ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন।
১১.
কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষার্থীর আসনব্যবস্থা করতে হবে।
১২.
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কক্ষে অবশ্যই প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থী আসলে কেন্দ্রসচিব বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্ট্রার খাতায় রোল নম্বর ও অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ করে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারবেন। পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে রেজিস্ট্রার খাতাটি জমা দিতে হবে।
১৩.
পরীক্ষা শুরুর পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক বা অন্য কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রয়োজনে হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করতে হবে, সম্ভব হলে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
১৪.
প্রতিষ্ঠানপ্রধান তার বিদ্যালয়ের প্রবেশপত্র নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করবেন এবং ২১ ডিসেম্বরের আগে তা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ নিশ্চিত করবেন।
১৫.
পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে কোনো ত্রুটি থাকলে, তা অবশ্যই প্রবেশপত্র নেওয়া পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে সংশোধন করতে হবে।
১৬.
ত্রুটিপূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করা যাবে না।
১৭.
পরীক্ষার্থীর হাজিরা শিটে উপস্থিতির স্বাক্ষর নিতে হবে। কোনো পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে নির্দিষ্ট তারিখ ও বিষয় লাল কালি দিয়ে অনুপস্থিত লিখে দিতে হবে।
১৩ 
পরীক্ষা শুরুর পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক বা অন্য কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রয়োজনে হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করতে হবে, সম্ভব হলে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
১৪.
প্রতিষ্ঠানপ্রধান তাঁর বিদ্যালয়ের প্রবেশপত্র নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করবেন এবং ২১ ডিসেম্বরের আগে তা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ নিশ্চিত করবেন।
১৫.
পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে কোনো ত্রুটি থাকলে, তা অবশ্যই প্রবেশপত্র নেওয়া পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে সংশোধন করতে হবে।
১৬.
ত্রুটিপূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করা যাবে না।
১৭.
পরীক্ষার্থীর হাজিরা শিটে উপস্থিতির স্বাক্ষর নিতে হবে। কোনো পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে নির্দিষ্ট তারিখ ও বিষয় লাল কালি দিয়ে অনুপস্থিত লিখে দিতে হবে।
১৮.
নির্দিষ্ট তারিখে পরীক্ষার সময়সূচি মোতাবেক পরীক্ষা নিতে হবে। উত্তরপত্রের প্যাকেট উপজেলা কমিটির কাছে বস্তায় সিলগালা করা অবস্থায় পৌঁছাতে হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পরিবহন কাজে পুলিশের সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। বিষয় অনুসারে ৫০টি করে উত্তরপত্র করোগেটেড শিটে প্যাকেট করতে হবে। উত্তরপত্রের প্যাকেটের গায়ে কোনো চিহ্ন বা অতিরিক্ত কিছু লেখা থাকলে তার জন্য কেন্দ্রসচিব দায়ী থাকবেন। প্রতিটি বিষয়ের উত্তরপত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্যাকেট করতে হবে। ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিতে হবে। ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের প্যাকেট আলাদা হবে। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র–সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ রাখতে হবে এবং অনলাইনে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বোর্ডের অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যতীত অন্য কোনো ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।
 
এ ছাড়া ‘জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’-এর নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
 
২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করে নতুন রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, ২৮ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা শুরু হয় শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর। আগে ২১ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। বুধবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সূচি প্রকাশ করা হয়।
তাসকিন আমার ‘স্পিড রেকর্ড’ ভেঙে ফেলুক: শোয়েব আখতার

তাসকিন আমার ‘স্পিড রেকর্ড’ ভেঙে ফেলুক: শোয়েব আখতার

দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম আসর। খেলা মাঠে গড়াতে এখনও কিছুদিন বাকি থাকলেও উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। ১২ বছর পর নিলামের মাধ্যমে দল গুছিয়েছে দলগুলো। তবে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে এখনও দলের শক্তিমত্তা বৃদ্ধির সুযোগ হাতছাড়া করছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। মাঠের তারকা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি ডাগআউটের জন্য নামকরা কোচ ও মেন্টর আনার দিকেও নজর তাদের। এরই মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি শোয়েব আখতার।
শোয়েব আখতারের চাওয়া তাসকিন আহমেদ তার গতির রেকর্ড ভেঙে দেবেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের ড্রেসিং রুমে এবার দুজনকেই দেখা যাবে। 
দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম আসর। খেলা মাঠে গড়াতে এখনও কিছুদিন বাকি থাকলেও উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। ১২ বছর পর নিলামের মাধ্যমে দল গুছিয়েছে দলগুলো। তবে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে এখনও দলের শক্তিমত্তা বৃদ্ধির সুযোগ হাতছাড়া করছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। মাঠের তারকা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি ডাগআউটের জন্য নামকরা কোচ ও মেন্টর আনার দিকেও নজর তাদের। এরই মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি শোয়েব আখতার।
শোয়েব আখতারের চাওয়া তাসকিন আহমেদ তার গতির রেকর্ড ভেঙে দেবেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের ড্রেসিং রুমে এবার দুজনকেই দেখা যাবে। 

গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার। এবারের বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে থাকছেন তিনি। এবারই প্রথম বিপিএলের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত হলেন ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুতগতির এই বোলার।


বাংলাদশের মানুষের ভালোবাসাই তাকে বিপিএলে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছে বলে জানিয়েছেন শোয়েব। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে সবসময়ই ভালোবাসা পেয়েছি। তাই এখানে আসার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। আর বিপিএল ভালো একটা টুর্নামেন্ট। অবশেষে কাজের সুযোগ হলো৷ বিশেষ করে ফাস্ট বোলারদের কিছু শেখাতে পারলে, উৎসাহ দিতে পারলে খুশি হবো। তাসকিন ভালো বোলার। ঢাকা ক্যাপিটালসের মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর দেশটার সঙ্গে আবারও যুক্ত হতে পারছি।'


বাংলাদেশে নিজের জনপ্রিয়তা দেখে অবাক শোয়েব। তার ভাষায়, 'বাংলাদেশে যখন প্রথম আসি আমি জানতাম না যে পাকিস্তানের মতো এখানেও আমার এতো জনপ্রিয়তা। ঐ ভালোবাসাটা সারাজীবন থেকে যাবে আমার সঙ্গে।'



তিনি আরও বলেন, 'ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রস্তাবটা কয়েক মাস আগে পেয়েছি। বাংলাদেশের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেখা করার কোনো সুযোগই কখনও হাতছাড়া করবো না। এখানকার মানুষেরা পৃথিবীর সেরা। তারা যেহেতু আমাকে এতোটা ভালোবাসে, তাই আমি তাদের সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চেয়েছি।'

এক সময় শোয়েবকে গতির লড়াই করতে হয়েছে ব্রেট লির সঙ্গে। পরবর্তীতে সেই লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিলেন আরেক অজি স্পিডস্টার–শন টেইট। কালের পরিক্রমায় টেইট এখন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ। এদিকে ঢাকার ডাগআউটে শোয়েব নিজে।

টেইটকে নিয়ে এই পাকিস্তানি কিংবদন্তি বলেন, 'শন টেইট অন্যতম সেরা পেস বোলিং কোচ। আমাকে আপনাদের দরকার হবে না। এদেশের পেস ইউনিট দারুণ। বিশেষ করে তাসকিন শার্প, ফোকাসড। নাহিদ রানাও ভাালো। পর্যাপ্ত ট্রেনিং করতে হবে। গেইমটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে অ্যাটিটিউডটাই আসল। সেটা মাঠের খেলায় প্রভাব রাখবে।'

ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে এই মৌসুমে খেলবেন তাসকিন আহমেদ। বোলার হিসেবে তাসকিনকে বিশেষ কিছু শেখানোর আছে বলেও মনে করেন না তিনি। তবে শোয়েবের চাওয়া ঢাকা ক্যাপিটালসের এই ফাস্ট বোলার তার সবচেয়ে বেশি গতিতে করা বলের রেকর্ড ভেঙে দিক। শোয়েবের ভাষায়, 'আমি চাই তাসকিন আমার স্পিড-রেকর্ড ভেঙে ফেলুক।'

পেস বোলারদের ভয় জাগানিয়া চরিত্রটা বর্তমান সময়ের ক্রিকেটে মিস করেন শোয়েব। নাহিদ রানা, তাসকিনরা সেই স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনবে এমনটাই চাওয়া সাবেক এই স্পিডস্টারের। প্রয়োজনে আইসিসিকে আইনের শিথিলতা আনতেও অনুরোধ জানিয়েছেন শোয়েব।

তিনি বলেন, ' নাহিদ, তাসকিন, বুমরাহ, শাহিন ও নাসিমসহ অনেকেই আছে জোরে বোলিং করে। আশা করি একসময় তারা আমার রেকর্ড ভাঙবে। মিচেল স্টার্ককে হ্যাটস অফ। এতো বছর ধরে দুর্দান্ত বোলিং করছে। আমি আমার মতো বোলার দেখতে চাই যারা ব্যাটারদের মনে ভয় ধরিয়ে দেবে। ফাস্ট বোলিংয়ের ক্রেইজটা ফেরাবে। আইসিসিকে অনুরোধ করবো নতুন করে ভাবতে। ওভারে ৩-৪টা বাউন্সার অ্যালাও করতে বলবো। স্কোরবোর্ডে টোটাল কম হবে। এক্সাইটমেন্টটাও ফিরবে।'

খেলোয়াড়ি জীবনে বাংলাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে শোয়েবের। খেলেছেন বাংলাদেশের লিগেও। বাংলা ভাষাটার প্রতি আছে ভালোবাসাও। তাই সুযোগ পেলে ভাষাটা শিখে ফেলতে চান তিনি, 'আমি এই ভাষা ভালোবাসি। কিছু শব্দও শিখতে চাই। আগে আমরা এই ভাষায় কথাও বলতাম হয়তো। কিছুটা বুঝি। বলারও চেষ্টা করেছি। ঢাকা ক্যাপিটালসে লম্বা সময় থাকলে শিখে যাবো।'
কামিন্সকে ফিরিয়ে তৃতীয় টেস্টের জন্য অস্ট্রেলিয়ার একাদশ ঘোষণা

কামিন্সকে ফিরিয়ে তৃতীয় টেস্টের জন্য অস্ট্রেলিয়ার একাদশ ঘোষণা

ইনজুরির কারণে প্রথম দুই অ্যাশেজ খেলতে পারেননি প্যাট কামিন্স। তবে তৃতীয় টেস্টে ফিরলেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের নিয়মিত অধিনায়ক। তার পাশাপাশি অ্যাডিলেড টেস্টে ফলে ফেরানো হয়েছে স্পিনার নাথান লায়নকেও।
তৃতীয় টেস্টে অধিনায়ক হয়েই ফিরলেন কামিন্স।

 
অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টে দুই পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টেস্টে দারুণ পারফর্ম করেও একাদশে জায়গা হারিয়েছেন মাইকেল নেসার। দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬ উইকেট শিকার করেছিলেন এই পেসার। তার জায়গায় দলে নেয়া হয়েছে প্যাট কামিন্সকে।


অপরদিকে, একাদশে ফিরেছেন নাথান লায়নও। ইনজুরির কারণে দ্বিতীয় টেস্ট মিস করেছিলেন এই স্পিনার। লায়ন ফেরাতে একাদশ থেকে জায়গা হারিয়েছেন প্রথম দুই টেস্ট খেলা ব্রেন্ডন ডগেট।


এদিকে অ্যাডিলেড টেস্টেও একাদশে জায়গা পাননি ওপেনার উসমান খাজা। ইনজুরি থেকে ফিরলেও, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) ওপেনিংয়ে হেড ও ওয়েদারল্ডের উপরই ভরসা রাখছে।


আগামীকাল (বুধবার) শুরু হবে অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্ট। প্রথম দুই টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। অ্যাডিলেড টেস্টে জিততে পারলে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করবে অজিরা।

অস্ট্রেলিয়া একাদশ
ট্র্যাভিস হেড, জ্যাক ওয়েদারল্ড, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরুন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), জশ ইংলিস, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লিয়ন ও স্কট বোল্যান্ড। 

হাদির আক্রমণকারী চিহ্নিত, বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার চলছে: ফখরুল

হাদির আক্রমণকারী চিহ্নিত, বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার চলছে: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সম্প্রতি হাদির ওপর আক্রমণকারীকে চিহ্নিত করা গেছে–সে আওয়ামী লীগের লোক। অথচ একটি পক্ষ হীন উদ্দেশ্যে এই ঘটনার জন্য বিএনপিকে চিহ্নিত করতে চায়।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
 

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের যা কিছু ভালো অর্জন, তার সবই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির হাত ধরে এসেছে। এখন নতুন স্বপ্ন তৈরি হচ্ছে তারেক রহমানের হাত ধরে।


তিনি সতর্ক করে বলেন, একটি গোষ্ঠী গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে চায়। আগামী নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটিই নির্ধারণ করবে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে নাকি পিছিয়ে যাবে।


বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ২৪-এর জুলাই যোদ্ধাদের অনেকের মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের সময় তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

অনুষ্ঠানে ধরটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, স্বাধীনতাকে সুসংহত করতে না পারলে সেটা হবে পরাধীনতা।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর যদি জনগণ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, তবে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা যাবে না।

সালাউদ্দিন বলেন, বর্তমানে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে অপমানিত করার চেষ্টা চলছে এবং গণতন্ত্রে উত্তরণ যেন সহজে না হয়, সে জন্য বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র চলছে।


আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান ক্ষমতাসীন দল এবং জামায়াতে ইসলামীর অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ছাত্রদের হত্যাকাণ্ড, মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন, আমাদের বাড়িঘরে আগুনের ঘটনার সময় আপনারা কোথায় ছিলেন?’

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনামলের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এরশাদের সঙ্গে কারা নির্বাচনে গিয়েছিল, তা দেশের মানুষ জানে। ওই নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তই বিএনপিকে ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এনেছিল। সে সময় আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত জনগণের সঙ্গে বেইমানি করেছিল।

তিনি লোভের রাজনীতির সমালোচনা করে বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে সরকারের নিপীড়ন সত্ত্বেও বিএনপি লড়াইয়ের ময়দান ত্যাগ করেনি। এখন কত ধরনের লোভ, এই দুনিয়ায় কিছু না পেলে অন্য দুনিয়ায় পাওয়া যাবে... দেশের মানুষ খুব ভালো বোঝে। তারাই বিচার করবে। নজরুল ইসলাম খান বিজয় দিবসের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে এগিয়ে চলার আহ্বান জানান।

বিজয়ের ৫৪ বছরজাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

বিজয়ের ৫৪ বছরজাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

বিজয়ের ৫৪ বছর উদযাপনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 
এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়, বিউগলে বাজে করুণ সুর।
 
শ্রদ্ধা জানানোর পর রাষ্ট্রপতি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সেনা কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
 
এ সময় রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমান বন্দরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সম্মান জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। কক্সবাজারেও একইসময়ে ৩১ বার তোপধ্বনি দেয়া হয়।
 
প্রসঙ্গত, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াই ১৯৭১ সালে এসে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে জাতীয় পর্যায়ে নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান তিনি।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধান উপদেষ্টা।
 
এ সময় বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়, বিউগলে বাজে করুণ সুর।
 
শ্রদ্ধা জানানোর পর অধ্যাপক ইউনূস উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সেনা কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
এরআগে, বিজয়ের ৫৪ বছর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মান জানিয়ে পুষ্পস্তবক নিবেদন করেন।  
 
এ সময় রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমান বন্দরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সম্মান জানায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। কক্সবাজারেও একইসময়ে ৩১ বার তোপধ্বনি দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াই ১৯৭১ সালে এসে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে জাতীয় পর্যায়ে নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।

শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

২০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত

২০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত






আগামী মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে ২০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত। তবে করোনা মহামারীর কারণে নৌপথে আনতে হবে চেন্নাই থেকে- এমনটাই জানিয়েছেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

আর তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি সমস্যা সমাধানে চলতি বছরই যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ঢাকা দিল্লি বিশেষ বিমান পরিবহন চলতি মাসেই চালু হচ্ছে বলেও জানান তিনি। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বৈঠক শেষে তারা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

গত বছরের মতো এবারও সেপ্টেম্বরে পূর্বঘোষণা ছাড়া পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে ভারত। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি বাংলাদেশ। সম্প্রতি আবার ভারত রফতানি চালু করলেও তা শুধু চেন্নাই বন্দর দিয়ে।

এর কারণ ব্যাখ্যা করে হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, শিপমেন্ট একটা বড় ইস্যু। করোনার কারণে আমাদের অনেক স্থলবন্দর এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। তাই চেন্নাই সমুদ্র বন্দর দিয়ে এ পেঁয়াজ নিতে হবে। কারণ পেঁয়াজ ওই এলাকার। আমরা দুই জাতের ২০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বৈঠকে বহুল আলোচিত তিস্তার পানিবণ্টন প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। দুই দেশের পানি সচিব দ্রুতই বৈঠকে বসবেন এ ইস্যুতে। এক দশক বন্ধ থাকা যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকের দিনক্ষণও প্রায় চূড়ান্ত।

করোনার কারণে ৭-৮ মাস বন্ধ ভারতের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ। সেটি চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে আগেই। এবার বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা নিতে ভারত যেতে ইচ্ছুকদের জন্যও সুবিধা বাড়াচ্ছে দেশটি।

খুলনাকে বড় ব্যবধানেই হারালো রাজশাহী

খুলনাকে বড় ব্যবধানেই হারালো রাজশাহী




সাকিবের জেমকন খুলনাকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে আশরাফুলের মিনিস্টার রাজশাহী। 

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ঝড়ো অর্ধশতকের ওপর ভর করে খুলনার দেয়া ১৪৬ রানকে সহজেই টপকে যায় রাজশাহী।

ব্যাট করতে নেমে মিনিস্টার রাজশাহী দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত শুরু থেকেই রানের ঝড় তুলতে থাকেন। 

অপর পাশে থাকা আনিসুল ইসলাম ইমন খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। আল আমিনের বলে মাত্র ২ রানেই মাঠ ছাড়েন তিনি। ২৫ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।

তবে ওয়ানডাউনে নামা রনি তালুকদারকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের দিকে এগুতে থাকে রাজশাহী। ৯ ওভারের মাথায় রিশাদ হোসেনের শিকার হওয়ার আগে রনির ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। 

তার কিছুক্ষণ পরই রিশাদ হোসেনের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয় শান্তকে। 

মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৫৫ রান। ৬টি চার আর ৩টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার এই ইনিংস।

অধিনায়কের বিদায়ের পর মোহাম্মদ আশরাফুল ও ফজলে মাহমুদ ধীর গতিতে রান তুলতে থাকেন। ২২ বল খেলে আশরাফুল করেন অপরাজিত ২৫ রান। 

অপর পাশে ১৬ বল খেলে ২৪ রান করা মাহমুদ আউট হলে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান দলকে জয় উপহার দিয়েই মাঠ ছাড়েন।

এরআগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় খুলনা। মেহেদী হাসানের বলে ক্যাচ দিয়ে দলীয় ৪ রানের মাথায় শূন্য রানেই মাঠ ছাড়েন ইমরুল কায়েস। 

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে খেলায় ফেরা সাকিব আল হাসান আজও দলের জন্য সুবিধা করতে পারেননি। ৯ বলে মাত্র ১২ রান করে তিনিও মাঠ ছাড়েন। 

এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জহুরুল ইসলাম ব্যক্তিগত ৭ ও ১ রানে মাঠ ছাড়লে অনেকটাই ধাক্কা খায় খুলনা।

আগের ম্যাচে জয়ের নায়ক আরিফুল ইসলাম ও শামীম হোসেন দলকে টেনে নিতে থাকেন। 

আরিফুল ৩১ বলে ৪১ রানে অপরাজিত থাকলেও ২৫ বলে ৩৫ রান করে এবাদতের বলে আউট হন শামীম। 

৩ চারে ১২ বলে ১৭ রান করা শহীদুলের সুবাধে খুলনার দলীয় রান দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৪৬ রান।

মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০

ভুটানের সাকতেং অরণ্যের ওপরেও এবার চীনের দাবি, দিল্লিকে আরও চাপে ফেলাই লক্ষ্য?

ভুটানের সাকতেং অরণ্যের ওপরেও এবার চীনের দাবি, দিল্লিকে আরও চাপে ফেলাই লক্ষ্য?



লাদাখে ভারত ও চীনের মধ্যে চলমান সীমান্ত বিরোধের পটভূমিতেই চীন এবার প্রতিবেশী ভুটানের পূর্বাঞ্চলে একটি বিস্তীর্ণ অংশের ওপরও নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করেছে।
পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন, মূলত দিল্লির ওপর আরও চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যেই ভুটানের ওই সাকতেং অভয়ারণ্যকে চীন নিজেদের বলে দাবি করছে- কারণ ভুটানের অখণ্ডতা রক্ষা ও প্রতিরক্ষার জন্য ভারত অঙ্গীকারাবদ্ধ।
চীনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ভুটান দিল্লিতে তাদের দূতাবাস মারফত চীনের কাছে একটি ডিমার্শ বা কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্রও পাঠিয়েছে।
ভুটানের পূর্বদিকে ত্রাশিগিং জেলার ভারত সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় প্রায় সাড়ে ছশো বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে একটি অভয়ারণ্যের নাম সাকতেং – যা বহু বিরল বন্য পশুপাখির আবাসভূমি।
মাসখানেক আগে এই বনভূমির উন্নয়নে একটি প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে 'গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফেসিলিটি' বা জিইএফ একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন বৈঠকের আয়োজন করেছিল – সেখানেই চীন প্রথম দাবি করে সাকতেং তাদের।
বিশ্ব ব্যাঙ্কে ভারতের অন্যতম প্রতিনিধি অপর্ণা সুব্রামনি ওই বৈঠকে ভারত-ভুটান-বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা-মালদ্বীপের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন, তিনি চীনের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
সম্প্রতি ওই অনলাইন বৈঠকের মিনিটস বা কার্যবিবরণী সামনে আসার পরই বোঝা যায় যে ভুটানের সাকতেং-কেও চীন এখন বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলের মধ্যে ঢুকিয়ে নিতে চাইছে।
এরপর এ সপ্তাহে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের 'দ্য হিন্দুস্তান টাইমস' পত্রিকাকে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাকতেং-য়ের ওপর তাদের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং ভারতকে ইঙ্গিত করে বলেছে 'কোনও তৃতীয় পক্ষ যেন এখানে নাক না-গলায়'!
কেন সাকতেং-য়ের ওপর চীনের এই দাবি?
থিম্পুতে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইন্দর পাল খোসলা বলছিলেন, আমার মতে চীন এখন পুরোপুরি একটা সম্প্রসারণবাদী দেশের মতো আচরণ করছে।
তারা ভুটানের এমন একটা জায়গা দাবি করে বসেছে যেটা নিয়ে আগে কখনও বিতর্ক ছিল না, ওই দুই দেশের মধ্যে চব্বিশ রাউন্ড সীমান্ত বৈঠক হলেও সাকতেং কিন্তু কখনও আলোচনার টেবিলেই ওঠেনি। এখন তো দেখছি তারা কোনও সীমান্ত সমঝোতারই ধার ধারছে না, এমন কী রাশিয়ার ভ্লাদিভস্টক পর্যন্ত দাবি করছে। আমরা শুধু আশা করতে পারি, চীনের এই ধরনের এক্সপেরিমেন্ট বেশিদিন চলবে না এবং তারা এই সব বন্ধ করবে।
আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি-তে চীন বিশেষজ্ঞ এম টেলর ফ্র্যাভেল জানাচ্ছেন, চীনের এই দাবির পেছনে আছে ১৭১৫ সালে তিব্বত ও ভুটানের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তি।
ওই চুক্তিতে না কি সাকতেং-য়ের ওপর তিব্বতের সার্বভৌমত্ব মেনে নেওয়া হলেও ভুটানের মেষপালকদের ওই তৃণভূমিতে গরু-ভেড়া চরানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
১৯৪৯ থেকে সাকতেং ভুটানের অংশ – কিন্তু এখন চীন বলছে যেহেতু তিব্বত তাদের, সুতরাং সাকতেংয়ের ওপরও তাদের অধিকার বর্তায়।
সাকতেং কি স্ট্র্যাটেজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ?
দিল্লিতে টাইমস অব ইন্ডিয়ার ডিপ্লোম্যাটিক এডিটর ইন্দ্রাণী বাগচীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এই অভয়ারণ্যের স্ট্র্যাটেজিক গুরুত্ব কোথায় যে চীন এটি কব্জা করতে চাইছে?
তিনি বলছিলেন, ওই অঞ্চলের মানচিত্রটা দেখলেই বুঝবেন ওই সাকতেং হল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের যে সেলা পাসে '৬২-র ভারত-চীন যুদ্ধ হয়েছিল তার ঠিক উত্তর দিকের এলাকা।
"চীনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হল গোটা অরুণাচল প্রদেশটাকেই কব্জা করে নেওয়া, ফলে এটা সেই পরিকল্পনার একটা অংশ হতেই পারে। "
"দ্বিতীয়ত, বিশেষ করে এই সময়টাকে বেছে নেওয়া হয়েছে কারণ চীন দেখতে পাচ্ছে লাদাখ বা কালাপানি নিয়ে ভারত আগে থেকেই চাপে আছে – ফলে দিল্লির ওপর রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোও একটা উদ্দেশ্য হতে পারে। "
"তৃতীয়ত, চীন ভুটানের ওপর এই চাপটা এমন একটা মাত্রায় নিয়ে যেতে চায় যাতে ভুটান ভারতকে বলতে বাধ্য হয় যে আমরা চীনের সঙ্গে আলাদাভাবে বিষয়টা নিয়ে বোঝাপড়া করে নিচ্ছি!", বলছিলেন ইন্দ্রাণী বাগচী।
চীনের আসল নিশানা কি তাহলে ভারত?
বস্তুত ভারতের প্রভাব বলয় থেকে ভুটানকে যতটা সম্ভব বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চীনের দীর্ঘদিনের।
তবে তিন বছর আগে ডোকলাম সঙ্কটের সময় যেভাবে ভারতীয় সেনারা ভুটানের হয়ে চীনা বাহিনীর বিরুদ্ধে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল, চীনকে সেটা বেশ অবাকই করেছিল।
তারপরেও অবশ্য ভুটানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করার প্রবল চেষ্টা চালিয়ে গেছে চীন, থিম্পুতে তারা দূতাবাসও খুলতে চেয়েছে বার বার।
ইন্দ্রাণী বাগচী জানাচ্ছেন, "কূটনৈতিক সম্পর্ককে আপগ্রেড করে থিম্পুতে চীন তাদের নিজস্ব দূতাবাস খুলতে চাইছে বহুদিন ধরেই। কিন্তু ভুটানের রাজাদেরই তাতে আপত্তি ছিল। "
"আসলে এটা কিন্তু শুধু চীন নয়, বেশিরভাগ দেশেরই থিম্পুতে কোনও দূতাবাস নেই – দিল্লিতে সেই সব দেশের রাষ্ট্রদূতরাই ভুটান-টা কভার করে থাকেন। এটা আমেরিকা বা জাপানের ক্ষেত্রেও সত্যি। "
"তারপরও চীন বারবার ভুটানে নিজেদের দূতাবাস চেয়েছে। কিন্তু ভুটানের রাজা, যাকে সে দেশের লোক 'কে-ফোর' বা 'দ্য কিং ফোর' বলে ডাকেন, তিনি ও তাঁর পূর্বসূরী কে-থ্রি মিলে অনেক ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটার কোনও দরকার নেই। ''
সাকতেং-য়ের ওপর চীনের দাবিকে নস্যাৎ করে ভুটানের যে কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্র বা ডিমার্শ, সেটাও পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে চীনের দূতাবাসেই।
আর ভারত মনে করছে, লাদাখের গালওয়ান বা প্যাংগং লেকে চীনের সঙ্গে এবং কালাপানিতে নেপালের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ তো আছেই – এখন সাকতেং-এও ভুটানের বকলমে আসলে ভারতের সঙ্গেই চীন বিরোধের নতুন একটি ফ্রন্ট খুলতে চাইছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
কেন জয়াকে নিলেন না সৃজিত?

কেন জয়াকে নিলেন না সৃজিত?

মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের লেখা ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি’ অবলম্বনে কলকাতা থেকে ওয়েব সিরিজ তৈরি হচ্ছে। নির্মাণ করছেন কলকাতার তুমুল জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জি। আনন্দবাজার পত্রিকায় আজ সোমবার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপন্যাসের মূল চরিত্র মুশকান জুবেরি হিসেবে অভিনয় করবেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি। তার সঙ্গে দেখা যাবে চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম ও কলকাতার অণির্বাণ চ্যাটার্জীকে। লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চেয়েছিলেন দুই বাংলার প্রিয়মুখ জয়া আহসানকে। আনন্দবাজার লিখেছে, একটি বিশেষ কারণে জয়াকে বাদ দিয়েছেন সৃজিত।
কী সেই কারণ সেটা বলা হয়নি। 'রাজকাহিনী', 'এক যে ছিল রাজা' ছবিতে একসঙ্গে কাজের খাতিরে সৃজিত ও জয়ার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই সম্পর্কে এখন নানা কারণে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এটাও একটা কারণ হতে পারে বলে মত অনেকের। কেউ আবার বলছেন, স্ত্রী মিথিলার পরামর্শেই নতুন ওয়েব সিরিজের শিল্পী বাছাই করছেন সৃজিত। তাই জয়াকে এড়িয়ে গেছেন ‘রাজকাহিনি’ ছবির পরিচালক।  
বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

ড.জোহা কলেজ’৯৫ ব্যাচের ঈদ পুনঃমিলনী ও নৌকা ভ্রমন

ড.জোহা কলেজ’৯৫ ব্যাচের ঈদ পুনঃমিলনী ও নৌকা ভ্রমন



নাটোরের গুরুদাসপুর বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারী কলেজের ১৯৯৫ ব্যাচের ঈদ পুনঃ মিলনী ও নৌকা ভ্রমন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৪ আগষ্ট বুধবার সকালে গুরুদাসপুর থেকে নৌকা ভ্রমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক পতিসর কুঠি বাড়ির উদ্যেশ্যে রওনা হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিলো স্মৃতি রোমন্থন,জোকস,স্বরনীয় ঘটনা বর্ননা,বন্ধু আড্ডা,গান ও প্রীতিভোজ। ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডার শিহাব উদ্দিন সেলিম ও গুরুদাসপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সবুজ বিশ্বাস লালন জানান,১৯৯৫ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ঈদ পুনঃমিলনী ও নৌকা ভ্রমন হয়ে আসছে। প্রথম দিকে সিমিত পরিসরে হলেও এখন হচ্ছে বিস্তৃত কলেবরে। এর মাধ্যমে বন্ধুদের মধ্যে সুসম্পর্ক অটুট থাকে। অনেকে পেষাগত কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করেন। ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে এলাকায় আসার সুবাদে ওই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একত্রিত হবার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
বড়াইগ্রামে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার বিচার ৭টি করে জুতাপেটা

বড়াইগ্রামে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার বিচার ৭টি করে জুতাপেটা

চালক বোরহান উদ্দিন কুমরুল গ্রামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বাজার থেকে কেনা চাল পৌঁছে দিতে যায়। এ সময় ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা গৃহবধূকে (৩২) একা পেয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ঐ গৃহবধূ চিৎকার শুরু করলে বোরহান দ্রুত ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি স্থানীয় গ্রাম প্রধানদের জানালে তারা থানায় যেতে নিষেধ করে গত মঙ্গলবার রাতে কুমরুল গ্রামের শ্রী লালুবাবুর বাড়িতে মিমাংসা বৈঠকে বসেন। সেখানে হিন্দু ধর্মীয় প্রধান বাবলু কুমারসহ গ্রাম প্রধান তাজেম উদ্দিন মোল্লা, টিপু মোল্লা, কাজল ও বোরহানের শ্বশুর আকতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।সেখানে বিষয়টি বিস্তারিত শুনানির পর লম্পট বোরহানকে সাতটি জুতার বাড়ি দিয়েই বিচার শেষ করা হয়। তবে সালিশে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি মীমাংসার জন্য অভিযুক্ত বোরহান উদ্দীনের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হলেও ঐ গৃহবধূকে কোনও টাকা দেয়া হয়নি। পুরো টাকাই সালিশের লোকজন ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গৃহবধূর স্বামী মোবাইলে জানান, গ্রামের প্রধানেরা বসে সব কিছু শুনে বোরহানকে জুতাপেটা করেছেন। তবে আমরা কোনও টাকা পয়সা পাইনি। বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস জানান, বিষয়টি জানা ছিল না। তাছাড়া ভিকটিমের পরিবারও কিছু জানায়নি। তবে আমি এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
ক্রিকেটার তাইজুলকে ২শ টাকা জরিমানা

ক্রিকেটার তাইজুলকে ২শ টাকা জরিমানা

হেলমেট ব্যবহার না করায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাইজুল ইসলামকে দুইশ’ টাকা জরিমানা করেছে নাটোরের নলডাঙ্গা থানার পুলিশ।
নলডাঙ্গা থানা পুলিশের ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার বিকেলে নলডাঙ্গা থানার মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট চলছিল। এসময় ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম মোটরসাইকেল নিয়ে নাটোর শহরে থেকে নলডাঙ্গা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি হেলমেট না ব্যবহার করায় দুইশ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তাইজুল স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, হেলমেট বাড়িতে রেখে বিকেলে ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন। এ অবস্থায় চেকপোস্টে পৌঁছালে তাকে দুইশ' টাকা জরিমানা করা হয়।
রেজাউল করিম রেজা/এমএএস/পিআর
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো শুরু ১৪ অক্টোবর

ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো শুরু ১৪ অক্টোবর



আইসিটি শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ একসঙ্গে ‘ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইনোভেশন এক্সপো-২০১৯’ শীর্ষক প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছে।

‘মেড ইন বাংলাদেশ :
 কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’ প্রতিপাদ্যে বিষয়/থিম নিয়ে তিন দিনব্যাপী এ এক্সপো আইসিটি শিল্পসম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্য এবং বিশ্ববাসীর জন্য আইসিটি পরিষেবা একত্রে করে দেশের সাফল্যের গল্পগুলো প্রদর্শন করবে আইসিটি ইন্ডাস্ট্রির সব ব্যবসায়ী। স্থানীয় এবং বিদেশিদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী এক্সপোতে অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে তারা স্থানীয় উদ্ভাবনগুলো দেখবে এবং সেটি থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে, বিশেষ করে হার্ডওয়্যার পণ্যগুলো খাতটিতে নতুন করে বিনিয়োগ এবং রফতানি, এর মাধ্যমে এ সেক্টরে উভয়ের পথ প্রশস্ত করবে। ইভেন্টের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের দশ বছরের সাফল্যে বিভিন্ন সেমিনার এবং ব্রেকআউট সেশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।আগামী ১৪-১৬ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি), শেরেবাংলা নগর, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
ওয়ালটন, সিম্ফনি, টেলিফোন শিল্প সংস্থা, টেকনো মোবাইল, ভিভো, এলজি, নিটল এবং আমরার মতো দেশের প্রায় সব বড় আইসিটি পণ্য ও পরিষেবা উৎপাদনকারী সংস্থা এক্সপোতে নেবে। অংশগ্রহণকারীরা তাদের পরিষেবা এবং মূল সরঞ্জাম উৎপাদন (ওইএম), সিকিউরিটি এবং তত্ত্বাবধানের বিষয়গুলোসহ তাদের এন্টারপ্রাইজ সলুশন, টেলিকম, ক্লাউড কম্পিউটিং, সরকারি সেবা, গেমিং-সম্পর্কিত আরও বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করবে।
বাংলাদেশ সরকারের এটুআই ইনোভেশন ল্যাব তাদের প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষিক্ষেত্র, কর্মসংস্থান, পরিবেশ, মেয়েদের ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য, আইন, পর্যটন ইত্যাদি ক্ষেত্রে উদ্যোগগুলো প্রদর্শন করবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যদ্রব্যসমূহ প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশের প্রযুক্তিতে আগ্রহী তরুণদের অংশগ্রহণকে এক্সপো চলাকালে সমানভাবে উৎসাহিত করা হবে।
হজ-ওমরায় অবিশ্বাস্য ভিসা ফি কমালো সৌদি আরব

হজ-ওমরায় অবিশ্বাস্য ভিসা ফি কমালো সৌদি আরব



হজ এবং ওমরাহ যাত্রীদের ভিসা ফি কমিয়েছে সৌদি সরকার। এর পাশাপাশি দেশটিতে ঘুরতে যাওয়া পর্যটকদেরও এ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদের নেয়া সিদ্ধান্তে ভিসার ধরন ও মেয়াদকাল নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া।বুধবার সৌদি মন্ত্রিসভার গৃহীত নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হজ এবং ওমরাহ যাত্রীদের ভিসার ফি দুই হাজার সৌদি রিয়াল থেকে কমিয়ে মাত্র ৩০০ রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিকবার ওমরাহ পালনের জন্য ভিসা ফিও বাতিল করেছে সৌদি সরকার।
এতে বলা হয়েছে, আগের আইনে দেশটিতে ওমরাহ পালনের জন্য যাত্রীদের ভিসা ফি বাবদ টানা তিন বছর ২ হাজার সৌদি রিয়াল দিতে হতো। নতুন এই আইনের ফলে সেটি আর থাকছে না।
মন্ত্রিপরিষদের ভিসা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের বিষয়ে রাজকীয় ফরমান জারি করায় দেশটির হজ এবং ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ সালেহ বিন তাহের বেনতেন সৌদি বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ’র সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, হজ ও ওমরাহ পালনে মুসলমানদের আগমনকে আরো সহজ করতে সৌদির বিচক্ষণ নেতৃত্বের আগ্রহে রাজকীয় ডিক্রিটি জারি হয়েছে।
মোহাম্মদ বেনতেন বলেন, এই আইনের মাধ্যমে সৌদিতে ক্রমবর্ধমান হজ এবং ওমরাহ যাত্রীদের গ্রহণ সক্ষমতার প্রস্তুতির বিষয়টি উঠে এসেছে। পবিত্র স্থাপনাগুলোতে এবং মক্কা ও মদিনায় সেবা ব্যবস্থাপনা ও বিশাল অবকাঠামো প্রকল্প উন্নয়নের মাধ্যমে এই প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ কোটি হজ এবং ওমরাহ যাত্রীকে গ্রহণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সৌদি আরব। এই সিদ্ধান্তের ফলে সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষ্য পূরণ সম্ভব হবে বলে দেশটির নীতি-নির্ধারকরা জানিয়েছেন।
সর্বাত্মক ধর্মঘটে অচল জাবি

সর্বাত্মক ধর্মঘটে অচল জাবি



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ এনে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগ দাবিতে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

তালাবদ্ধ ছিল দুটি প্রশাসনিক ভবন ও অনুষদ ভবনগুলোর ফটক। উপাচার্যসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে প্রবেশ করেনি। অনুষ্ঠিত হয়নি ক্লাস-পরীক্ষা।বুধবার সকাল থেকে এ কর্মসূচির ফলে কার্যত অচল ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।
অপরদিকে উপাচার্যের বিরুদ্ধে এ আন্দোলনকে ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করেছেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষকরা।
এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর উপাচার্যকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের জন্য ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা। এ সময়ের মধ্যে উপাচার্য পদত্যাগ না করায় বুধবার ও বৃহস্পতিবার সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করবেন তারা।
তবে বেঁধে দেয়া সময়ের শেষ দিন মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্য পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়ে দেন। একই সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ‘অযৌক্তিক’ বলেও দাবি করেছেন উপাচার্য।
জানা গেছে, বুধবার সকাল ৭টা থেকে আন্দোলনকারীরা দুটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। সকালে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা অভিমুখের পরিবহনগুলো আটকে দেন তারা। তবে ঢাকা থেকে শিক্ষকদের বহনকারী কয়েকটি গাড়ি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
এছাড়া সোয়া ১টায় ঢাকা অভিমুখে শিক্ষক বহনকারী বাসগুলো ছাড়তেও বাঁধা দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
বিকাল ৪টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা ভবনগুলোতে অবস্থান করেছে। এছাড়া দুপুর দেড়টার দিকে সর্বাত্মক ধর্মঘটের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন তারা।
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’র সংগঠক শাখা ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিদার বলেন, ‘আমরা উপাচার্যকে ১ অক্টোবরের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সুযোগ দিয়েছিলাম। তিনি পদত্যাগ করেননি। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে পদত্যাগে ব্যাধ্য করা হবে। আজকের মতো বৃহস্পতিবারও সর্বাত্মক ধর্মঘট চলবে।’
এরপর আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অপরদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে আখ্যা দিয়েছেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষকরা। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ ব্যানারে মানববন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার বলেন, ‘আন্দোলন আর চক্রান্ত দুইটা আলাদা জিনিস। আন্দোলন হলে আলোচনাও হবে। আলোচনায় সমাধান হবে। কিন্তু আলোচনায় না গিয়ে আন্দোলন করলে তাকে চক্রান্তই বলা যায়।’
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’র সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে ‘তদন্ত কমিটি’র জন্য উপাচার্য আলোচনায় বসলেও তারা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছে। এতেই প্রমাণিত হয় এই আন্দোলনের পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। তবে ষড়যন্ত্রমূলক অযৌক্তিক কোনো আন্দোলনের কাছে আমরা মাথা নত করব না।’
পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাঁধাগ্রস্ত করতে একটি মহল অযৌক্তিক আন্দোলন করছে।’
আন্দোলনকারীরা অচিরেই তাদের ভুল বুঝতে পেরে আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মানববন্ধনে উপাচার্যপন্থী শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারীরা সর্বাত্মক ধর্মঘট আর উপাচার্যপন্থীরা আন্দোলনের বিপক্ষে দিনব্যাপী গণসংযোগ চালাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।
বড় বিপদ গেল ইমরুল কায়েসের

বড় বিপদ গেল ইমরুল কায়েসের



মাঝে দেড় মাসে ক্রিকেট থেকে একেবারেই দূরে সরে গিয়েছিলেন ইমরুল। কী হয়েছিল তাঁর? বাঁ হাতি ওপেনার জানালেন, কঠিন সময়ে গেছে তাঁর
ইমরুল কায়েসের সুযোগ এসেছিল গত মাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে থাকার। কিন্তু বাঁ হাতি ওপেনারের উপায় ছিল না সুযোগটা লুফে নেওয়ার। ইমরুল তখন তাঁর এক বছরের শিশুপুত্র শোয়াইবকে নিয়ে ছোটাছুটি করছেন হাসপাতালে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের আগে শুরু হওয়া কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ছিলেন ইমরুল। এক দিন অনুশীলন করার পরই জানলেন, ছেলের ডেঙ্গু হয়েছে। অসুস্থ শিশুপুত্রের চিন্তায় তাঁর থাকা হয়নি আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট দলে। সপ্তাহখানেকের চিকিৎসা শেষে ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার স্বস্তি যখন মনে, ইমরুল তখন জানতে পারলেন ছেলে আরও একটি রোগে আক্রান্ত। এই রোগ না সারতেই শরীরে বাসা বাঁধল আরও একটি। কিসের রোগ, কী ধরনের রোগ, বাংলাদেশের চিকিৎসকেরা নাকি কিছুতেই বুঝতে পারছিলেন না তাঁকে। বাধ্য হয়ে ছেলেকে নিয়ে ইমরুল ছুটলেন সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। সেখানে মাসখানেকের চিকিৎসা শেষে তাঁর ছেলে এখন বেশ সুস্থ।
ছেলে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে, ইমরুলের কাছে এটাই আপাতত বড় সুখবর, ‘প্রথমবার সিঙ্গাপুর থেকে আসার পর ভালো হয়ে গেলেও আবার সমস্যা শুরু হয়েছিল। আবার যেতে হলো। এবার চিকিৎসকেরা বলছেন, আশা করি আর হবে না। সে অনুযায়ী ওষুধ দিয়েছে। শুরুতে ডেঙ্গু হয়েছিল। ডেঙ্গু থেকে আরও দুটো রোগ হয়। আমাদের উপমহাদেশে সাধারণত এ ধরনের রোগ হয় না। মালয়েশিয়ার দিকে বেশি হয়। এ কারণেই বাংলাদেশে চিকিৎসকেরা বুঝতে পারছিল না কী রোগ হয়েছে বাচ্চাটার।’
ছেলের চিন্তায় এ কদিনে বেশ শুকিয়ে গেছেন ইমরুল। শরীরের ওজন কমেছে প্রায় পাঁচ কেজি। গত দেড় মাস কতটা ঝড় গেছে তাঁর ওপর দিয়ে, সেটিই আজ বিসিবি একাডেমি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বলছিলেন তিনি, ‘মানসিকভাবে ঠিক না থাকলে আসলে শারীরিকভাবে ফিট থাকা যায় না। যার ওপর দিয়ে যায় সে এটা ভালো বোঝে।’
গত নিউজিল্যান্ড সফরের দলে ছিলেন না ইমরুল। সুযোগ মেলেনি পরের সফরগুলোতেও। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে যাও-বা সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল, ভাগ্যের কাছে হেরে সেটি মিলিয়ে গেল হাওয়ায়। ক্রিকেট থেকে কটা দিন একেবারেই দূরে সরে গিয়েছিলেন। বাঁ হাতি ওপেনার জানালেন, জাতীয় দলে ফেরার তাড়নায় আবারও তৈরি হচ্ছেন তিনি, ‘আশা নিয়েই সবাই সামনে এগিয়ে যায়। আমিও সেই আশা নিয়েই অপেক্ষায় আছি (আবারও সুযোগ পাবেন বাংলাদেশ দলে)। যদি সামনে সুযোগ আসে, অবশ্যই সুযোগ কাজে লাগাতে চেষ্টা করব। মাঝে একটা সুযোগ আসছিল, দুর্ভাগ্য আমার ছেলের অসুস্থতার কারণে খেলতে পারলাম না। তবে সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। সামনে যদি আবার সুযোগ আসে অবশ্যই চেষ্টা করব শতভাগ দেওয়ার।’
বাংলাদেশ দলে সুযোগ পাবেন কিনা, সেটি পরে। আপাতত ইমরুলের লক্ষ্য, রাঙাতে হবে জাতীয় লিগ।
উন্নয়ন ধ্বংসের উইপোকা দমনে কঠোর প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়ন ধ্বংসের উইপোকা দমনে কঠোর প্রধানমন্ত্রী



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ উইপোকায় ধ্বংস করা থেকে রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর একটি হোটেলে আজ বুধবার দেশের প্রথম কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১-এর মাধ্যমে দেশীয় সব টেলিভিশন চ্যানেলের বাণিজ্যিক ট্রান্সমিশনের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চলতি বাজেটে ১৭৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। দুর্নীতিবাজ উইপোকারা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকালে অর্থ লুটে নিচ্ছে। দেশের উন্নয়নের জন্য জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের প্রতিটি পয়সার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য আমাদের ওই সব উইপোকাকে আটক করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখব। এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকলে দল–পরিবারনির্বিশেষে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমি দেশের দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।’প্রধানমন্ত্রী কোনো ধরনের প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার না করার জন্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অপপ্রচারগুলো সরকারের বিরোধিতার নামে মানুষের মধ্যে অনাস্থা সৃষ্টির পাশাপাশি দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে আরেকটি আবেদন রাখতে চাই। আপনারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরুন, যাতে করে দেশবাসীর মনে সরকারের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা তৈরি হয় এবং তারাও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখতে পারে।