খেলাধুলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খেলাধুলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

তাসকিন আমার ‘স্পিড রেকর্ড’ ভেঙে ফেলুক: শোয়েব আখতার

তাসকিন আমার ‘স্পিড রেকর্ড’ ভেঙে ফেলুক: শোয়েব আখতার

দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম আসর। খেলা মাঠে গড়াতে এখনও কিছুদিন বাকি থাকলেও উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। ১২ বছর পর নিলামের মাধ্যমে দল গুছিয়েছে দলগুলো। তবে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে এখনও দলের শক্তিমত্তা বৃদ্ধির সুযোগ হাতছাড়া করছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। মাঠের তারকা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি ডাগআউটের জন্য নামকরা কোচ ও মেন্টর আনার দিকেও নজর তাদের। এরই মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি শোয়েব আখতার।
শোয়েব আখতারের চাওয়া তাসকিন আহমেদ তার গতির রেকর্ড ভেঙে দেবেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের ড্রেসিং রুমে এবার দুজনকেই দেখা যাবে। 
দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম আসর। খেলা মাঠে গড়াতে এখনও কিছুদিন বাকি থাকলেও উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। ১২ বছর পর নিলামের মাধ্যমে দল গুছিয়েছে দলগুলো। তবে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে এখনও দলের শক্তিমত্তা বৃদ্ধির সুযোগ হাতছাড়া করছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। মাঠের তারকা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি ডাগআউটের জন্য নামকরা কোচ ও মেন্টর আনার দিকেও নজর তাদের। এরই মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি শোয়েব আখতার।
শোয়েব আখতারের চাওয়া তাসকিন আহমেদ তার গতির রেকর্ড ভেঙে দেবেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের ড্রেসিং রুমে এবার দুজনকেই দেখা যাবে। 

গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার। এবারের বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে থাকছেন তিনি। এবারই প্রথম বিপিএলের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত হলেন ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুতগতির এই বোলার।


বাংলাদশের মানুষের ভালোবাসাই তাকে বিপিএলে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছে বলে জানিয়েছেন শোয়েব। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে সবসময়ই ভালোবাসা পেয়েছি। তাই এখানে আসার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। আর বিপিএল ভালো একটা টুর্নামেন্ট। অবশেষে কাজের সুযোগ হলো৷ বিশেষ করে ফাস্ট বোলারদের কিছু শেখাতে পারলে, উৎসাহ দিতে পারলে খুশি হবো। তাসকিন ভালো বোলার। ঢাকা ক্যাপিটালসের মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর দেশটার সঙ্গে আবারও যুক্ত হতে পারছি।'


বাংলাদেশে নিজের জনপ্রিয়তা দেখে অবাক শোয়েব। তার ভাষায়, 'বাংলাদেশে যখন প্রথম আসি আমি জানতাম না যে পাকিস্তানের মতো এখানেও আমার এতো জনপ্রিয়তা। ঐ ভালোবাসাটা সারাজীবন থেকে যাবে আমার সঙ্গে।'



তিনি আরও বলেন, 'ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রস্তাবটা কয়েক মাস আগে পেয়েছি। বাংলাদেশের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেখা করার কোনো সুযোগই কখনও হাতছাড়া করবো না। এখানকার মানুষেরা পৃথিবীর সেরা। তারা যেহেতু আমাকে এতোটা ভালোবাসে, তাই আমি তাদের সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চেয়েছি।'

এক সময় শোয়েবকে গতির লড়াই করতে হয়েছে ব্রেট লির সঙ্গে। পরবর্তীতে সেই লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিলেন আরেক অজি স্পিডস্টার–শন টেইট। কালের পরিক্রমায় টেইট এখন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ। এদিকে ঢাকার ডাগআউটে শোয়েব নিজে।

টেইটকে নিয়ে এই পাকিস্তানি কিংবদন্তি বলেন, 'শন টেইট অন্যতম সেরা পেস বোলিং কোচ। আমাকে আপনাদের দরকার হবে না। এদেশের পেস ইউনিট দারুণ। বিশেষ করে তাসকিন শার্প, ফোকাসড। নাহিদ রানাও ভাালো। পর্যাপ্ত ট্রেনিং করতে হবে। গেইমটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে অ্যাটিটিউডটাই আসল। সেটা মাঠের খেলায় প্রভাব রাখবে।'

ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে এই মৌসুমে খেলবেন তাসকিন আহমেদ। বোলার হিসেবে তাসকিনকে বিশেষ কিছু শেখানোর আছে বলেও মনে করেন না তিনি। তবে শোয়েবের চাওয়া ঢাকা ক্যাপিটালসের এই ফাস্ট বোলার তার সবচেয়ে বেশি গতিতে করা বলের রেকর্ড ভেঙে দিক। শোয়েবের ভাষায়, 'আমি চাই তাসকিন আমার স্পিড-রেকর্ড ভেঙে ফেলুক।'

পেস বোলারদের ভয় জাগানিয়া চরিত্রটা বর্তমান সময়ের ক্রিকেটে মিস করেন শোয়েব। নাহিদ রানা, তাসকিনরা সেই স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনবে এমনটাই চাওয়া সাবেক এই স্পিডস্টারের। প্রয়োজনে আইসিসিকে আইনের শিথিলতা আনতেও অনুরোধ জানিয়েছেন শোয়েব।

তিনি বলেন, ' নাহিদ, তাসকিন, বুমরাহ, শাহিন ও নাসিমসহ অনেকেই আছে জোরে বোলিং করে। আশা করি একসময় তারা আমার রেকর্ড ভাঙবে। মিচেল স্টার্ককে হ্যাটস অফ। এতো বছর ধরে দুর্দান্ত বোলিং করছে। আমি আমার মতো বোলার দেখতে চাই যারা ব্যাটারদের মনে ভয় ধরিয়ে দেবে। ফাস্ট বোলিংয়ের ক্রেইজটা ফেরাবে। আইসিসিকে অনুরোধ করবো নতুন করে ভাবতে। ওভারে ৩-৪টা বাউন্সার অ্যালাও করতে বলবো। স্কোরবোর্ডে টোটাল কম হবে। এক্সাইটমেন্টটাও ফিরবে।'

খেলোয়াড়ি জীবনে বাংলাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে শোয়েবের। খেলেছেন বাংলাদেশের লিগেও। বাংলা ভাষাটার প্রতি আছে ভালোবাসাও। তাই সুযোগ পেলে ভাষাটা শিখে ফেলতে চান তিনি, 'আমি এই ভাষা ভালোবাসি। কিছু শব্দও শিখতে চাই। আগে আমরা এই ভাষায় কথাও বলতাম হয়তো। কিছুটা বুঝি। বলারও চেষ্টা করেছি। ঢাকা ক্যাপিটালসে লম্বা সময় থাকলে শিখে যাবো।'
কামিন্সকে ফিরিয়ে তৃতীয় টেস্টের জন্য অস্ট্রেলিয়ার একাদশ ঘোষণা

কামিন্সকে ফিরিয়ে তৃতীয় টেস্টের জন্য অস্ট্রেলিয়ার একাদশ ঘোষণা

ইনজুরির কারণে প্রথম দুই অ্যাশেজ খেলতে পারেননি প্যাট কামিন্স। তবে তৃতীয় টেস্টে ফিরলেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের নিয়মিত অধিনায়ক। তার পাশাপাশি অ্যাডিলেড টেস্টে ফলে ফেরানো হয়েছে স্পিনার নাথান লায়নকেও।
তৃতীয় টেস্টে অধিনায়ক হয়েই ফিরলেন কামিন্স।

 
অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টে দুই পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টেস্টে দারুণ পারফর্ম করেও একাদশে জায়গা হারিয়েছেন মাইকেল নেসার। দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬ উইকেট শিকার করেছিলেন এই পেসার। তার জায়গায় দলে নেয়া হয়েছে প্যাট কামিন্সকে।


অপরদিকে, একাদশে ফিরেছেন নাথান লায়নও। ইনজুরির কারণে দ্বিতীয় টেস্ট মিস করেছিলেন এই স্পিনার। লায়ন ফেরাতে একাদশ থেকে জায়গা হারিয়েছেন প্রথম দুই টেস্ট খেলা ব্রেন্ডন ডগেট।


এদিকে অ্যাডিলেড টেস্টেও একাদশে জায়গা পাননি ওপেনার উসমান খাজা। ইনজুরি থেকে ফিরলেও, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) ওপেনিংয়ে হেড ও ওয়েদারল্ডের উপরই ভরসা রাখছে।


আগামীকাল (বুধবার) শুরু হবে অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্ট। প্রথম দুই টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। অ্যাডিলেড টেস্টে জিততে পারলে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করবে অজিরা।

অস্ট্রেলিয়া একাদশ
ট্র্যাভিস হেড, জ্যাক ওয়েদারল্ড, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরুন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), জশ ইংলিস, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লিয়ন ও স্কট বোল্যান্ড। 

শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

খুলনাকে বড় ব্যবধানেই হারালো রাজশাহী

খুলনাকে বড় ব্যবধানেই হারালো রাজশাহী




সাকিবের জেমকন খুলনাকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে আশরাফুলের মিনিস্টার রাজশাহী। 

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ঝড়ো অর্ধশতকের ওপর ভর করে খুলনার দেয়া ১৪৬ রানকে সহজেই টপকে যায় রাজশাহী।

ব্যাট করতে নেমে মিনিস্টার রাজশাহী দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত শুরু থেকেই রানের ঝড় তুলতে থাকেন। 

অপর পাশে থাকা আনিসুল ইসলাম ইমন খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। আল আমিনের বলে মাত্র ২ রানেই মাঠ ছাড়েন তিনি। ২৫ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।

তবে ওয়ানডাউনে নামা রনি তালুকদারকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের দিকে এগুতে থাকে রাজশাহী। ৯ ওভারের মাথায় রিশাদ হোসেনের শিকার হওয়ার আগে রনির ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। 

তার কিছুক্ষণ পরই রিশাদ হোসেনের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয় শান্তকে। 

মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৫৫ রান। ৬টি চার আর ৩টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার এই ইনিংস।

অধিনায়কের বিদায়ের পর মোহাম্মদ আশরাফুল ও ফজলে মাহমুদ ধীর গতিতে রান তুলতে থাকেন। ২২ বল খেলে আশরাফুল করেন অপরাজিত ২৫ রান। 

অপর পাশে ১৬ বল খেলে ২৪ রান করা মাহমুদ আউট হলে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান দলকে জয় উপহার দিয়েই মাঠ ছাড়েন।

এরআগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় খুলনা। মেহেদী হাসানের বলে ক্যাচ দিয়ে দলীয় ৪ রানের মাথায় শূন্য রানেই মাঠ ছাড়েন ইমরুল কায়েস। 

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে খেলায় ফেরা সাকিব আল হাসান আজও দলের জন্য সুবিধা করতে পারেননি। ৯ বলে মাত্র ১২ রান করে তিনিও মাঠ ছাড়েন। 

এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জহুরুল ইসলাম ব্যক্তিগত ৭ ও ১ রানে মাঠ ছাড়লে অনেকটাই ধাক্কা খায় খুলনা।

আগের ম্যাচে জয়ের নায়ক আরিফুল ইসলাম ও শামীম হোসেন দলকে টেনে নিতে থাকেন। 

আরিফুল ৩১ বলে ৪১ রানে অপরাজিত থাকলেও ২৫ বলে ৩৫ রান করে এবাদতের বলে আউট হন শামীম। 

৩ চারে ১২ বলে ১৭ রান করা শহীদুলের সুবাধে খুলনার দলীয় রান দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৪৬ রান।

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

ক্রিকেটার তাইজুলকে ২শ টাকা জরিমানা

ক্রিকেটার তাইজুলকে ২শ টাকা জরিমানা

হেলমেট ব্যবহার না করায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাইজুল ইসলামকে দুইশ’ টাকা জরিমানা করেছে নাটোরের নলডাঙ্গা থানার পুলিশ।
নলডাঙ্গা থানা পুলিশের ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার বিকেলে নলডাঙ্গা থানার মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট চলছিল। এসময় ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম মোটরসাইকেল নিয়ে নাটোর শহরে থেকে নলডাঙ্গা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি হেলমেট না ব্যবহার করায় দুইশ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তাইজুল স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, হেলমেট বাড়িতে রেখে বিকেলে ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন। এ অবস্থায় চেকপোস্টে পৌঁছালে তাকে দুইশ' টাকা জরিমানা করা হয়।
রেজাউল করিম রেজা/এমএএস/পিআর
বড় বিপদ গেল ইমরুল কায়েসের

বড় বিপদ গেল ইমরুল কায়েসের



মাঝে দেড় মাসে ক্রিকেট থেকে একেবারেই দূরে সরে গিয়েছিলেন ইমরুল। কী হয়েছিল তাঁর? বাঁ হাতি ওপেনার জানালেন, কঠিন সময়ে গেছে তাঁর
ইমরুল কায়েসের সুযোগ এসেছিল গত মাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে থাকার। কিন্তু বাঁ হাতি ওপেনারের উপায় ছিল না সুযোগটা লুফে নেওয়ার। ইমরুল তখন তাঁর এক বছরের শিশুপুত্র শোয়াইবকে নিয়ে ছোটাছুটি করছেন হাসপাতালে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের আগে শুরু হওয়া কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ছিলেন ইমরুল। এক দিন অনুশীলন করার পরই জানলেন, ছেলের ডেঙ্গু হয়েছে। অসুস্থ শিশুপুত্রের চিন্তায় তাঁর থাকা হয়নি আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট দলে। সপ্তাহখানেকের চিকিৎসা শেষে ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার স্বস্তি যখন মনে, ইমরুল তখন জানতে পারলেন ছেলে আরও একটি রোগে আক্রান্ত। এই রোগ না সারতেই শরীরে বাসা বাঁধল আরও একটি। কিসের রোগ, কী ধরনের রোগ, বাংলাদেশের চিকিৎসকেরা নাকি কিছুতেই বুঝতে পারছিলেন না তাঁকে। বাধ্য হয়ে ছেলেকে নিয়ে ইমরুল ছুটলেন সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। সেখানে মাসখানেকের চিকিৎসা শেষে তাঁর ছেলে এখন বেশ সুস্থ।
ছেলে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে, ইমরুলের কাছে এটাই আপাতত বড় সুখবর, ‘প্রথমবার সিঙ্গাপুর থেকে আসার পর ভালো হয়ে গেলেও আবার সমস্যা শুরু হয়েছিল। আবার যেতে হলো। এবার চিকিৎসকেরা বলছেন, আশা করি আর হবে না। সে অনুযায়ী ওষুধ দিয়েছে। শুরুতে ডেঙ্গু হয়েছিল। ডেঙ্গু থেকে আরও দুটো রোগ হয়। আমাদের উপমহাদেশে সাধারণত এ ধরনের রোগ হয় না। মালয়েশিয়ার দিকে বেশি হয়। এ কারণেই বাংলাদেশে চিকিৎসকেরা বুঝতে পারছিল না কী রোগ হয়েছে বাচ্চাটার।’
ছেলের চিন্তায় এ কদিনে বেশ শুকিয়ে গেছেন ইমরুল। শরীরের ওজন কমেছে প্রায় পাঁচ কেজি। গত দেড় মাস কতটা ঝড় গেছে তাঁর ওপর দিয়ে, সেটিই আজ বিসিবি একাডেমি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বলছিলেন তিনি, ‘মানসিকভাবে ঠিক না থাকলে আসলে শারীরিকভাবে ফিট থাকা যায় না। যার ওপর দিয়ে যায় সে এটা ভালো বোঝে।’
গত নিউজিল্যান্ড সফরের দলে ছিলেন না ইমরুল। সুযোগ মেলেনি পরের সফরগুলোতেও। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে যাও-বা সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল, ভাগ্যের কাছে হেরে সেটি মিলিয়ে গেল হাওয়ায়। ক্রিকেট থেকে কটা দিন একেবারেই দূরে সরে গিয়েছিলেন। বাঁ হাতি ওপেনার জানালেন, জাতীয় দলে ফেরার তাড়নায় আবারও তৈরি হচ্ছেন তিনি, ‘আশা নিয়েই সবাই সামনে এগিয়ে যায়। আমিও সেই আশা নিয়েই অপেক্ষায় আছি (আবারও সুযোগ পাবেন বাংলাদেশ দলে)। যদি সামনে সুযোগ আসে, অবশ্যই সুযোগ কাজে লাগাতে চেষ্টা করব। মাঝে একটা সুযোগ আসছিল, দুর্ভাগ্য আমার ছেলের অসুস্থতার কারণে খেলতে পারলাম না। তবে সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। সামনে যদি আবার সুযোগ আসে অবশ্যই চেষ্টা করব শতভাগ দেওয়ার।’
বাংলাদেশ দলে সুযোগ পাবেন কিনা, সেটি পরে। আপাতত ইমরুলের লক্ষ্য, রাঙাতে হবে জাতীয় লিগ।